1. modhumotikanthobd@gmail.com : Shohidul Islam : Shohidul Islam
  2. modhumotikantho@gmail.com : support : Shohidul Islam
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কোটালীপাড়ায় জমি সংক্রান্তে বিরোধের জেরে হাসপাতালে ভর্তি রোগীকে কুপিয়ে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ গোপালগঞ্জে সদর উপজেলার ১৭ নং কাঠি ইউনিয়নে ডা. কে এম বাবরকে সংবর্ধনা। গোবিপ্রবি’তে জিএসটি গুচ্ছভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে গোপালগঞ্জ জেলা পুলিশের মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপন গোবিপ্রবি’তে জিএসটি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন গোপালগঞ্জে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে বধ্যভূমির স্মৃতিস্তম্ভের বেদীতে জেলা প্রশাসন সহ সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা মুকসুদপুরে নানা কর্মসূচির আয়োজনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি ও আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে – এমপি সেলিমুজ্জামান সেলিম মুকসুদপুরে গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা মোঃমুঈনুল ইসলাম শুভ ঃ গোপালগঞ্জ জেলা পরিষদে প্রশাসক হিসেবে বীর মুক্তিযোদ্ধা শরীফ রফিকুজ্জামানের বর্ণাঢ্য অভিষেক ও সংবর্ধনা

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় অবৈধভাবে নোংরা পরিবেশে চলছে চানাচুর ও মোয়া তৈরি

  • Update Time : শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৯ Time View

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় অবৈধভাবে নোংরা পরিবেশে চলছে চানাচুর ও মোয়া তৈরি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার তারাশি গ্রামে সরকারি অনুমোদন ব্যতীত অবৈধভাবে এবং নোংরা পরিবেশে চলছে চানাচুর, চিড়ার মোয়া, মুড়ির মোয়াসহ কয়েকটি খাদ্য সামগ্রী তৈরির কাজ। এসব খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে বাজারজাত করা হচ্ছে কোটালীপাড়া উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন বাজারে।
সরেজমিন সেখানে গিয়ে দেখা গেছে খুবই নোংরা পরিবেশে এসব খাদ্য সামগ্রী তৈরি করতে কয়েকজন শ্রমিক কাজ করছেন। তারা কোনো প্রকার সুরক্ষা নীতিমালা মানছেন না। হাত, পা ও মাথা খোলা রেখে তারা এসব খাদ্য সামগ্রী তৈরি করে বলে জানিয়েছেন কর্মরত শ্রমিক সুচিত্রা, তানজিলা প্রমুখ। তারা মাটিতে পলিথিন বা প্লাস্টিকের ব্যাগ বিছিয়ে খাদ্যসামগ্রী প্রস্তুত করেন। ওই প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্সসহ কোনো কাগজপত্র নেই।
এসব নিয়ে ১নং মিতালি চানাচুর ও চিড়ার মোয়া নামক প্রতিষ্ঠানটির মালিক গনেশ চন্দ্র সাহার সাথে আলাপ করা হলে এবং প্রতিষ্ঠান পরিচালনার বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে তিনি বলেন, আমার কাছে কোনো কাগজপত্র নেই। আমি অবৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করি।

এসময় গনেশ চন্দ্র সাহার ছেলে রাজীব চন্দ্র সাহা বলেন, আমরা বছরের পর বছর যাবত এই ব্যাবসা করছি। কেউ আমাদের ব্যাবসা বন্ধ করতে পারেনি। আমরা ব্যবসা এভাবেই চালিয়ে যাবো।

পরে বিষয়টি নিয়ে গোপালগঞ্জ জেলা নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা মুন্নী খানমের সাথে কথা হলে তিনি জানান, অবৈধভাবে পরিচালনা করা ওই খাদ্য নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানটি অচিরেই বন্ধ করে দেওয়া সহ অপরাধী ব্যক্তিকে দ্রুতই আইনের আওতায় নেওয়া হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed By : Modhumoti Kantho