মুকসুদপুরে সাংবাদিক হায়দার হোসেনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল
মেহেদী মুন্সি ঃগোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে পাক্ষিক মুকসুদপুর সংবাদের সম্পাদক ও উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজ কল্যান সম্পাদ হায়দার হোসেনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে মুকসুদপুর সরকারি কলেজে ছাত্র দল। আজ ১৭ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে সকাল ১১ টার সময়ে মুকসুদপুর কলেজ ছাত্র দল সাংবাদিক হায়দার হোসেন তার পাক্ষিক মুকসুদপুর সংবাদ পত্রিকায় জাতীয়তাবাদী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম ভাই কে নিয়ে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের প্রতিবাদে, সরকারি মুকসুদপুর কলেজ ক্যাম্পাসে কলেজ ছাত্র দল প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল করেছে।এসময় মুকসুদপুর কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী মুন্সী, সাধারণ সম্পাদক মহসিন মোল্যা, সিনিয়র সহ-সভাপতি অন্তর শেখ , সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক সাকিব আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এই সময়ে বক্তারা বলেন দূর্নীতিবাজ হায়দার হোসেন বর্তমানে মুকসুদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রান ও সমাজ কল্যান সম্পাদক, হায়দার হোসেন তার নিজ গ্রাম কমলাপুর আলীম এমপিও ভুক্ত মাদ্রায় চাকুরি করে একই সাথে সে সরকারি সংবাদ সংস্হা বাসসে দীর্ঘ ১৬ বছর যাবৎ কর্মরত রয়েছে সে নিজে দূনীতিবাজ সাংবাদিক হয়ে ও উপজেলা দূর্নীতি দমন কমিশন দুদুকের সভাপতি একটা মানুষ কি ভাবে দুইটি সরকারি চাকুরি করে সেটা প্রশাষনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাসহ মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, সম্পানিত শিক্ষা উপদেষ্টা,স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা, গোপালগন্জ জেলার জেলা প্রশাসক,মুকসুদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর উর্দ্ধতন কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষন করেছে? বক্তারা আরো বলেন সে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সম্পাদকমন্ডলির সদস্য গোপালগঞ্জ ১ আসনের সাবেক সাংসদ সদস্য মোহাম্মদ ফারুক খানের আশ্রয় প্রচ্ছায়ে এবং তার নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজিসহ এমন কোন নেক্কারজনক কাজ নেই যে,সে করেননি? উপজেলার নিরহ ব্যাক্তিদের ভয়ভীতি দেখিয়ে হয়রানি করে ঘর ছাড়া করেছে।এই হায়দার হোসেন একজন ঝুলার ছেলে সে এক সময়ে পত্রিকার হকারি করে জীবন যাপন করতো তাই তার মনমানসিকতা ছোটলোক, সে বিগত বিএনপির ক্ষমতায় থাকাকালীন গোপালগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এইচ খান মঞ্জুর পা চাটা কুত্তা ছিলো আবার আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা আসার সাথে সাথে চোখ উল্টিয়ে ফারুক খানের পা হাত ধরে দলে জায়গা করে নিয়েছেন দল বরিবর্তন করে ফায়দা লুটাই তার কাজ। বর্তমানে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- আইন বিষয়ক সম্পাদক মেজবাহর কাছে প্রবেশ করতে চাচ্ছে আর এটাই তার নীতি?? ১৫ নভেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম ভাই এবং উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম রাজু’র বিরুদ্ধে তার সম্পাদিত স্হানীয় পাক্ষিক মুকসুদপুর সংবাদ পত্রিকায় জাতীয়তাবাদী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম ভাইয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল ও তিব্র নিন্ধা প্রতিবাদ জানাচ্ছি সেই সাথে এই দূর্নীতিবাজ ঘুষখোর সুদখোর সাংবাদিক হায়দার হোসেন কে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবি করছি!! বক্তারা বলেন যে,,হায়দার বিগত ১৬ বছরের মধ্যে একমাস ও তিনি যে মাদ্রাসায় চাকুরী করেন সেই কর্মস্হলে যাননি এজন্য সে কয়েকবার সাময়িক বহিষ্কার ও হয়েছেন। বর্তমানে হায়দার পলাতক থেকে ও নিয়মিতভাবে হাজিরার খাতায় উপস্থিত দেখাচ্ছে বিষয় টি ইতোমধ্যে উপজেলা কর্মকর্তাকে জানানোর পর ও কেন ওনি কোন ব্যবস্হা নিচ্ছেন না??
Leave a Reply