1. modhumotikanthobd@gmail.com : Shohidul Islam : Shohidul Islam
  2. modhumotikantho@gmail.com : support : Shohidul Islam
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জ সরকারি কলেজে আন্তঃ বিভাগ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন ও একাদশ শ্রেণির নবাগত শিক্ষার্থীদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত গোবিপ্রবি উপাচার্যের প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবন পরিদর্শন গোবিপ্রবিতে ‘ভাইস চ্যান্সেলর’স বেস্ট রিসার্চার অ্যাওয়ার্ড চালু গোবিপ্রবির নবনিযুক্ত কোষাধ্যক্ষের যোগদান মুকসুদপুরে ২০৭ টি চায়না দুয়ারী জাল উদ্ধার, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস মুকসুদপুরে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অর্থের অভাবে একমাত্র সন্তানকে বাঁচাতে দিশেহারা বাবা-মা কাশিয়ানীতে সাংবাদিক পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ, দুই যুবক আটক গোপালগঞ্জে দুই বছরের শিশু সাহারা ইসলামের মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে পরিবারের সংবাদ সম্মেলন: আদালতের সহযোগিতায় লাশ উত্তোলন করে দ্রুত ময়নাতদন্তের দাবি কাশিয়ানীতে দুই বছরের শিশু সাহারা’র মৃত্যু নিয়ে ধোঁয়াশা: পরিবারের দাবি পরিকল্পিত হত্যা

মাদারীপুরে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই এতিমখানা সংস্কার, অনিয়মের অভিযোগ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে

  • Update Time : সোমবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৩২২ Time View

মাদারীপুরে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই এতিমখানা সংস্কার, অনিয়মের অভিযোগ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে

আকাশ আহম্মেদ সোহেল, মাদারীপুর প্রতিনিধি:

মাদারীপুরে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই সরকারী এতিম খানা সংস্কার করেছে। এতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে এতিমখানার সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ রয়েছে দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়াই মাদারীপুর (এতিমখানা) শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক মো.সাইফুজ্জামান ও মাদারীপুর সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মাইনুদ্দিন সরকারের যোগসাজশে নিজেরাই কাজ করছেন। নাম মাত্র কাজ দেখিয়ে বিল তুলে নেয়ার পায়তারা করছে বলে দাবী স্থানীয়দের। চাঁদপুরের লক্ষ্মি নারায়ন ভান্ডার নামে এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে কার্যাদেশ প্রদান করা হলেও কোন পত্রপত্রিকায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রদান করা হয়নি। 

জানা গেছে, ২০০৪ সালে মাদারীপুর শহরের খাগদি এলাকায় এতিম ও অনাথ শিশুদের জন্য একটি সরকারি শিশু পরিবার ভবন নির্মাণ করা হয়। ভবনের বয়স মাত্র ২০ বছর হলেও গত ৫ বছর ধরে প্রতি বছরই কয়েক লাখ টাকা সংস্কারের নামে অর্থ ব্যয় করা হয়। চলতি অর্থ বছরে প্রায় ১৮ লক্ষ টাকায় সংস্কার ব্যয় ধরা হয়েছে। ইতিপূর্বে কাজ সম্পাদন দেখিয়ে জেলা প্রশাসক বরাবর বিল দাখিল করা হয়েছে। কাজ সম্পাদন দেখানো হলেও কি কি কাজ করা হয়েছে তার বিস্তারিত তথ্য দিতে পারেননি  শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক মো.সাইফুজ্জামান ও মাদারীপুর সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মাইনুদ্দিন। 

সংস্কার কাজ কতটুকু সম্পন্ন হয়েছে সেই বিষয় জানতে চাঁদপুরের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান লক্ষ্মি নারায়ন ভান্ডারের মালিক ভরত চন্দ্র ঘোষের মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমি চাঁদপুরে আছি। পরে জানাতে পারবো। তবে কাজ সম্পর্কে ঠিকাদার না জানালেও শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক মো.সাইফুজ্জামান ও মাদারীপুর সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.মাইনুদ্দিন সরকার দুইজনে বিল তোলার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবর বিল জমা দিয়েছে। 

স্থানীয়দের দাবী ঠিকাদার নাম মাত্র। মুলত তদারকি না করে ঠিকাদারের হয়ে কাজ করেন শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক মো.সাইফুজ্জামান। আর অনিয়মের ভাগ পায় মাদারীপুর সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.মাইনুদ্দিন সরকার।

স্থানীয় বাসিন্দা আরিফ মোল্লা বলেন, নাম মাত্র সংস্কার করে পুরোটাই লুটপাট করে।কোন কাজ হয় না। ঠিকাদারের বাড়ি চাঁদপুর। তিনি কখনও আসেন না। আমরা চাই বিষয়টি দুদক তদন্ত করুক।

মাদারীপুর সরকারি শিশু পরিবার সংস্কার ও মেরামত কমিটির সদস্য এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী বাদল কৃত্তনীয়া জানান, কি কাজ হয়েছে আমি জানি না। বিষয়টি খোজ খবর নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

মাদারীপুর জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো.মাইনুদ্দিনের দাবী, সঠিক নিয়মেই কাজ করা হয়েছে। কি কি কাজ করা হয়েছে সরেজমিন দেখানোর অনুরোধ করা হলে তিনি দেখাতে রাজি হননি।

অভিযোগ অস্বীকার করে মাদারীপুর শিশু পরিবারের উপ-তত্ত্বাবধায়ক মো.সাইফুজ্জামান বলেন, ঠিকাদার নিজেই কাজ করছে। কোন অনিয়মের সুযোগ নেই। পত্রিকায় কেন দরপত্র বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়নি এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রদানের দরকার নেই তাই দেয়া হয়নি।

তবে ইলিয়াস মুন্সি ইরাদ নামে প্রথম শ্রেণির এক ঠিকাদার বলেন, সরকারি কাজ দরপত্র বিজ্ঞপ্তি ছাড়া প্রদানের সুযোগ নেই। যদি কেউ করে থাকে তাহলে ঘাপলা আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed By : Modhumoti Kantho