“যৌতুক লোভী স্বামীর অত্যাচারে দিশেহারা গৃহবধূ পলি খানম, পরকীয়ার জেরে শিশু সন্তান সহ স্ত্রীকে বের করে দিলেন পাষন্ড স্বামী, 1ন্যায়বিচার চেয়ে আদালতে মামলা
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে যৌতুকের দাবি ও পরকীয়ার জেরে নিজের স্ত্রীকে অমানবিক নির্যাতন করে ৫ বছরের সন্তানসহ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পাষণ্ড স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিরুপায় হয়ে ভুক্তভোগী মোসাঃ পলি খানম (৩০) গত ১৭ এপ্রিল বিজ্ঞ আমলী আদালত কাশিয়ানীতে স্বামী মোঃ পলাশ সিকদারের বিরুদ্ধে ‘যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮’-এর ৩ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০১৭ সালে কাশিয়ানী উপজেলার দক্ষিণ ফুকরা গ্রামের মোঃ আতিয়ার রহমান মোল্যার মেয়ে পলি খানমের সাথে গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার তালা জগারচর গ্রামের আনোয়ার শিকদারের ছেলে পলাশ শিকদারের বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ৫ লক্ষ টাকা নগদ এবং ১ ভরি স্বর্ণালঙ্কার যৌতুক হিসেবে নেয় আসামী পক্ষ। বিয়ের পর তাদের সংসারে শাহারিয়া আহম্মেদ নামে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়, যার বর্তমান বয়স ৫ বছর। পলি খানমের অভিযোগ, বিয়ের কিছুদিন পর পলাশ সিকদার চাকুরীর কথা বলে শ্বশুরবাড়ি থেকে আরও ৫ লক্ষ টাকা ‘ধার’ হিসেবে নিলেও তা আর পরিশোধ করেননি। এতেই ক্ষ্যান্ত না হয়ে সম্প্রতি আসামী আবারো ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক হিসেবে দাবি করেন। যৌতুকের এই অতিরিক্ত টাকা দিতে অস্বীকার করায় পলির ওপর নেমে আসে অমানবিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। গত ১৭ এপ্রিল আনুমানিক বেলা ১১টার দিকে বাদীনীর বাপের বাড়িতে এসে আসামী পুনরায় টাকার জন্য চাপ দেয় এবং তাকে মারধর করে সন্তানসহ ফেলে রেখে চলে যায়।
ভুক্তভোগী পলি খানম জানান, “আমি অনেক অত্যাচার সহ্য করেও সংসার করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তারা টাকার নেশায় আমাকে ও আমার ৫ বছরের ছেলেকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছে। কয়েক দফায় সালিশ বৈঠক হলেও আসামী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন যে, ৫ লক্ষ টাকা না দিলে আমাকে আর ঘরে তোলা হবে না। এখন আমি সন্তান নিয়ে বাপের বাড়িতে খেয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি এবং ন্যায়বিচারের আশায় আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি।” মামলাটি বর্তমানে আদালতের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। অসহায় এই নারী ও তার শিশু সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং সামাজিক ন্যায়বিচার নিশ্চিতে প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী। স্বামী পলাশ সিকদার পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হওয়ায় তিনি ধরা ও পরেন শশুর বাড়ির এলাকায় অন্য নারীর সঙ্গে। তাঁরা গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে শশুর বাড়ীর লোকজন খবর পেয়ে এসে তাঁকে নিয়ে যান। পরবর্তীতে সুচতুর পলাশ সিকদার স্ত্রী ও সন্তানের খোঁজ খবর না নিয়ে স্ত্রী ও শশুর বাড়ীর লোকজনের নামে বিভিন্ন মামলা দায়ের করেন। এই পলাশ সিকদার হাইকোর্টে পিয়ন এর কাজ করেন বিধায় এদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এছাড়া এই পলাশ সিকদার CR 442/26 ১ লা এপ্রিল ২০২৬ একটি মামলা করেন। তারপর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি হন, ১২ মার্চ ২০২৬, এরপর পলাশ সিকদার পরবর্তী ১৭ মে ২০২৬ কাশিয়ানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি হন তাঁরা পুলিশ কেচ লিখেন এরপর ধৃত পলাশ সিকদার গোপালগঞ্জ চক্ষু হাসপাতালে ২৪ মার্চ ২০২৬ চোখ দেখান তার স্ত্রী ও শশুর বাড়ীর লোকজনকে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার জন্য। চক্ষু হাসপাতাল ডাক্তার একটি ঔষধ দেন Eye Drop Levoni। ধৃত পলাশ সিকদার এর আগে পলাশ সিকদার ডা: শাহজাহান সিরাজকে ১৭ ই মার্চ ২০২৬ দেখান। এই পলাশ সিকদার হাইকোর্টের পিয়ন পদেট কর্মরত বলে পলাশ বলেন তোরা আমার কি করতে পারিস দেখে নিবো। ভুক্তভোগী পলি খানমের সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন এবং স্ত্রী ও সন্তানের খোঁজ খবর না নিয়ে তিনি আমার পরিবারকে হয়রানি করছে। আমি গোপালগঞ্জ পুলিশ প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করি পলাশ সিকদারদের বিচার দাবী করছি। পরকীয়ায় বাঁধা দেওয়ার জন্য আমার পরিবার আজ ক্ষতিগ্রস্ত। এমনকি পলাশ সিকদার পরকীয়ায় ধরার পর কাশিয়ানী পুলিশ তাক উদ্ধার করেন। এমন কি তাকে গাছে বেঁধে রাখার ভিডিও চিত্র আমাদের কাছে আছে। পলি খানম বলেন সুষ্ঠু নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। পলাশ সিকদারের এই মিথ্যা মামলার হয়রানি থেকে মুক্ত করে ন্যায় বিচার দাবি করেন। পলি খানম বলেন আমার পরিবার কোন ভূল করেনি, আমি পিতার ঘরে অসহায় জীবন যাপন করছি।qpq
Leave a Reply