1. modhumotikanthobd@gmail.com : Shohidul Islam : Shohidul Islam
  2. modhumotikantho@gmail.com : support : Shohidul Islam
রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
গোপালগঞ্জে ইনশাল্লাহ মন্ত্রীত্ব আসবে, স্বাস্থ্যখাতের প্রতিশ্রুতি ৩ মাসেই বাস্তবায়ন হবে__ডাঃ কে এম বাবর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর হাত ধরে সেলিমুজ্জামান সেলিমের ঐক্যের বার্তা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের ৩টি আসনেই বিএনপি জয়ী চাঁদা না পেয়ে লঞ্চঘাটের কাজ বন্ধের অভিযোগ চাঁদপুর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী মানিকের বিরুদ্ধে গোপালগঞ্জে জেলা প্রশাসকের বাসভবনের সামনে বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট- ২০২৬ উপলক্ষে গোপালগঞ্জ পুলিশ লাইনস্ মাঠে ব্রিফিং প্যারেড অনুষ্ঠিত ৪৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ফরিদগঞ্জে ছাত্রশিবিরের বর্ণাঢ্য র‍্যালি সকল ভেদাভেদ ভুলে উন্নয়নের স্বার্থে ধানের শীষে ভোট দিন গোপালগঞ্জে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ইউজিসির প্রশিক্ষণে মেধা তালিকায় প্রথম হলেন গোবিপ্রবির মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ ফারুক

কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফি আত্মসাতের অভিযোগে গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ওএসডি

  • Update Time : শনিবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৩৮৩ Time View

কে এম সাইফুর রহমান, গোপালগঞ্জঃ

কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফি বাবদ ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। তাকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালীতে সংযুক্ত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আলমগীর কবীর স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এদিকে গোপালগঞ্জের নতুন সিভিল সার্জন হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. জিল্লুর রহমান।

প্রজ্ঞাপনে সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মহাখালীতে ওএসডির আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে বদলিকৃত কর্মস্থলে যোগদান করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। অন্যথায় ষষ্ঠ কর্মদিবসে বর্তমান কর্মস্থল থেকে তিনি তাৎক্ষণিক অব্যাহতি বা স্ট্যান্ড রিলিজ বলে গণ্য হবেন।

এর আগে চলতি বছরের ২৭ জুলাই দুপুরে গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ এবং খুলনার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ সহ ছয়জনের বিরুদ্ধে করোনা পরীক্ষার ফির ২ কোটি ৬১ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় আদালতে চার্জশিট দাখিল করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট খুলনা জেনারেল হাসপাতালে বিদেশগামী যাত্রী ও সাধারণ কোভিড-১৯ রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ল্যাবে পাঠানো হতো। তবে ল্যাবে যে পরিমাণ নমুনা পাঠানো হতো তার থেকে রোগীর সংখ্যা কম দেখিয়ে পরীক্ষার ফির টাকা আত্মসাৎ করা হয়। ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত মোট ফি আদায় করা হয়েছিল ৪ কোটি ২৯ লাখ ৯১ হাজার ১০০ টাকা। তবে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছিল ১ কোটি ৬৮ লাখ ৪৬ হাজার ৭০০ টাকা। বাকি ২ কোটি ৬১ লাখ ৪৪ হাজার ৪০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক খন্দকার কামরুজ্জামান বাদী হয়ে ২০২১ সালের ১৮ নভেম্বর মামলা করেন। ওই মামলার তদন্ত শেষে চলতি বছরের ২৭ জুলাই তিনি গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ ও খুলনার সাবেক সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন।

আসামিরা হলেন- ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট খুলনা জেনারেল হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) প্রকাশ কুমার দাস, মেডিকেল টেকনোলজিস্ট (ল্যাব) মো. রওশন আলী, ক্যাশিয়ার তপতী সরকার, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. এস এম মুরাদ হোসেন, তৎকালীন সময়ে দায়িত্ব পালন করা খুলনার সিভিল সার্জন ডা. নিয়াজ মোহাম্মদ ও সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ।

চার্জশিটে বলা হয়েছে, পরস্পর যোগসাজশে সরকারি রসিদ বইয়ের বাইরে ডুপ্লিকেট রসিদ বই ব্যবহার করে তারা ওই টাকা আত্মসাৎ করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed By : Modhumoti Kantho