1. modhumotikanthobd@gmail.com : Shohidul Islam : Shohidul Islam
  2. modhumotikantho@gmail.com : support : Shohidul Islam
শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১১:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মুকসুদপুর ১ নং টেংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে *মা* সমাবেশ। মুকসুদপুর ১ নং মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে *মা* সমাবেশ টুঙ্গিপাড়ায় কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নারী নিহত গোপালগঞ্জে এপেক্স ক্লাবের ৫ম দায়িত্ব হস্তান্তর অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ত্বরান্বিত করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী ভালো থাকলে, দেশ ভালো থাকবে – সেলিমুজ্জামান সেলিম এমপি মুকসুদপুরে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিদের মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ গোপালগঞ্জে নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে ফুল দিয়ে বরণ করে নিলেন পুলিশ সুপার মোঃ হাবীবুল্লাহ গোপালগঞ্জে খালপাড়ের সড়ক অপসারণ করে পুনঃ খাল খননের অভিযোগ – স্থানীয়দের চরম ক্ষোভ প্রকাশ, দ্রুত সমাধানের দাবি গোবিপ্রবিতে ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের উদ্বোধন

মুকসুদপুর ১ নং টেংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে *মা* সমাবেশ।

  • Update Time : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ১৮ Time View

মুকসুদপুর ১ নং টেংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে *মা* সমাবেশ।
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার ১ নং টেংরাখোলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে “মা”সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে আজ শনিবার -১৬ মে ২০২৬। সমাবেশে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা আছমা খানমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির।
প্রধান অতিথি অভিভাবকদের উদ্যেশ্যে বক্তব্যদান কালে বলেন, ছেলে মেয়েদের প্রতি বিশেষভাবে নজর দিন। তাদের খাবার,ঘুম,পড়াশোনা ও দৈনন্দিন সকল কাজে শৃঙ্খলা আনতে মনোযোগী হউন।সন্তানের ভালো ও মন্দ কাজ ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করে সঠিক পথ দেখান, বাড়িতে সুন্দর পরিবেশ গড়ে তুলুন আর বিদ্যালয়ের বাড়ির কাজের অনুশীলন করান।শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, শিক্ষার্থী অভিভাবক ও কর্তৃপক্ষ সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। অনুষ্ঠান পরিচালনায় ছিলেন অত্র বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম,জনাব মো: গিয়াস উদ্দিন,জনাব কামরুন নাহারসহ অন্যান্য সহকারী শিক্ষকবৃন্দ।
এসময় অভিভাবকগণ কর্তৃপক্ষের উদ্যেশ্যে তাদের কিছু দাবি তুলে ধরেন। দাবীগুলো হলো:
১/বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা বেশি হওয়ায় অতিরিক্ত শিক্ষক নিয়োগ দেয়া উচিত।
২/ প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী হওয়া সত্তেও নেই কোনো দপ্তরি তাই দপ্তরি ও আয়া নিয়োগ দেয়া আবশ্যক।
৩/ উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে স্কুলটি হওয়ায় নিরাপদে বাচ্চাদের বিদ্যালয়ে আনা নেওয়া করতে অধিকাংশ মায়েরা বাচ্চার সাথে আসেন এবং বিদ্যালয়ে অবস্থান করেন কিন্তু এত অভিভাবকের দীর্ঘ সময় অবস্থানের জন্য দরকার অভিভাবক ছাউনির।
৪/ পাঠদানের সাথে সাথে প্রশাসনিক কাজে শিক্ষকদের ব্যস্ততা দেখে মনে হয় শিক্ষক পদ বৃদ্ধি অথবা কেরানি নিয়োগ দেয়া উচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2021
Design & Developed By : Modhumoti Kantho