বহুমাতৃক গবেষণা বৈজ্ঞানিক অগ্রগতির জন্য অপরিহার্য: গোবিপ্রবি উপাচার্য
কে এম সাইফুর রহমান, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হোসেন উদ্দিন শেখর বলেছেন, বহুমাতৃক গবেষণা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার সুযোগ সৃষ্টি করে। এটি সৃজনশীলতা, সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা, অভিযোজন ক্ষমতা ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতা গড়ে তোলে—যা দ্রুত পরিবর্তনশীল বৈজ্ঞানিক জগতে অত্যন্ত জরুরি।
আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক পরিসরে বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণা সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় কুমিল্লার বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (বার্ড)।
অধ্যাপক হোসেন উদ্দিন শেখর বলেন, আধুনিক বিশ্বে বৈজ্ঞানিক সমস্যাগুলো বিচ্ছিন্ন নয়। জলবায়ু পরিবর্তন, মহামারি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, টেকসই জ্বালানি ও জনস্বাস্থ্য—এ ধরনের চ্যালেঞ্জগুলো স্বভাবগতভাবেই জটিল। একটি মাত্র বিষয়ের জ্ঞান দিয়ে এসব সমস্যাকে পুরোপুরি বোঝা বা সমাধান করা সম্ভব নয়। এখানেই বহুবিষয়ক গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।
সম্মেলনে দেশ ও বিদেশ থেকে মোট ২৭০টি গবেষণা অ্যাবস্ট্রাক্ট জমা পড়েছে। এর মধ্যে ১৪৮টি মৌখিক (ওরাল) প্রেজেন্টেশন এবং ১০৩টি পোস্টার প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।
এছাড়াও সম্মেলনে ১৩টি মূল প্রবন্ধ (কি-নোট পেপার) উপস্থাপিত হয় এবং ৫টি প্লেনারি টক অনুষ্ঠিত হবে। এসব সেশনে দেশি ও বিদেশি খ্যাতনামা বিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদরা অংশগ্রহণ করছেন।
এই সম্মেলনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড.মো.শহিদুল ইসলাম, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইসমাইল,
চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চাঁবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. পেয়ার আহম্মেদ।
Leave a Reply