মুকসুদপুরে কাশবন সাহিত্য সংসদের কর্মী সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে কাশবন সাহিত্য সংসদ মুকসুদপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে কর্মী সভা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ননীক্ষিরের বনগ্রাম কালীগঙ্গা সার্বজনীন মন্দির প্রাঙ্গণে কাশবন সাহিত্য পত্রিকার আয়োজনে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে খ্যাতিমান কবি, সাহিত্যিক ও শিল্পীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত আলোচনা, কবিতা আবৃত্তি, নৃত্য ও সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে এক বর্ণিল সাংস্কৃতিক উৎসবের আবহ তৈরি হয়।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন লেখক ও গবেষক এবং দৈনিক জনকণ্ঠের অনলাইন ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উপদেষ্টা সাবরিনা বিনতে আহমেদ।
তিনি বলেন, “সমাজের পরিবর্তন ও মানুষের চেতনার জাগরণে সাহিত্য সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। প্রযুক্তির এ যুগে সাহিত্যচর্চা যেন শুধু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সীমাবদ্ধ না থেকে মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ে। কাশবনের এ আয়োজন লেখক সমাজকে নতুন ভাবনার অনুপ্রেরণা দেয়।”
প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন খুলনার সরকারি বাটিয়াঘাটা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ জিবনানন্দ কীর্ত্তনিয়া।
কাশবন সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক কবি মিন্টু হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ননী গোপাল মন্ডল ও কাশিয়ানী উপজেলা বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শহিদুল আলম মুন্না।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কাশবন সাহিত্য সংসদ কোটালিপাড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক কবি বিকাশ চক্রবর্ত্তী, কাশবন সাহিত্য সংসদের সদস্য সচিব কবি কিবরিয়া কামাল, ননীক্ষির ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান, হাজ্বী আছাদুজ্জামান, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি চিন্তাহরণ মন্ডল, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য শেখ নিজামউদ্দীন লিটন, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক পংকজ কুমার সাহা, ইউপি সদস্য মাখন মন্ডল, জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক আল আমিন বিশ্বাসসহ আরও অনেকে।
সভাপতির বক্তব্যে কবি মিন্টু হক বলেন, “সাহিত্য কোনো বিলাসিতা নয়, এটি মানুষের আত্মার আর্তনাদ ও আনন্দের প্রতিচ্ছবি। কাশবনের এই আয়োজন আমাদের নতুন করে সাহিত্যের প্রতি দায়বদ্ধতা স্মরণ করিয়ে দেয়। সারাদেশের সাহিত্যপ্রেমীদের একই প্ল্যাটফর্মে একত্রিত করার এ উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।”
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী কবি-লেখকরা ভবিষ্যতেও কাশবন সাহিত্য পত্রিকার পক্ষ থেকে এ ধরনের অর্থবহ ও সৃজনশীল আয়োজন অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
#
Leave a Reply